কটিয়াদি অ্যামবুশ

কটিয়াদি অ্যামবুশ,৭ই আগস্ট,১৬ আগস্ট পাকিস্তান সেনাবাহিনী বেলাবোতে জয়লাভের পর এক প্রকার বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল। তারা এমনি আত্মতৃপ্তি নিয়ে চলাফেরা করত যে,তারা মনে করেছিল যে তাদের চলাফেরায় বাধা দেবার আর কেউ নাই। আমাদের সৈনিকরাও চুপ করে ছিল না। তারও সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। ৭ই আগস্ট থেকে আমাদের সৈনিকরা পাকসেনাদের গতিবিধি লক্ষ্য করেছিল। অবশেষে ১৬ আগস্ট সে সুযোগ […]

কটিয়াদি অ্যামবুশ Read More »

রায়পুরার নিকটবর্তী বেলাবো অপারেশন

রায়পুরার নিকটবর্তী বেলাবো অপারেশন-১৪ই জুলাই: পাকিস্তান সেনাবাহিনী তখনো রায়পুরা, নরসিংদী, কাপাসিয়া, মনহরদী, কুলিয়াচর, কটিয়াদী এলাকায় ১৪ই জুলাই পর্যন্ত তাদের নিয়ন্ত্রণ আনতে পারেনি। কারণ আমাদের নিয়মিত বাহিনী দ্বারা গঠিত এই ক্যাম্পগুলো যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল। তাদের এসব জায়গা থেকে উচ্ছেদ করার জন্য পাকবাহিনী লঞ্চের সাহায্যে বেলাবো অভিমুখে অগ্রসর হয়। বেলাবোতে আমার যে দল ছিল তার নেতৃত্ব করছিল

রায়পুরার নিকটবর্তী বেলাবো অপারেশন Read More »

সাক্ষাৎকারঃ মেজর জেনারেল এ কে এম শফিউল্লাহ

শিরোনাম সূত্র তারিখ ৫। ৩নং সেক্টরের ও ‘এস’ ফোর্সের যুদ্ধ বিবরণ সাক্ষাৎকারঃ মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ ——–১৯৭১ <১০, ৫, ১৯৯-২১৬> সাক্ষাৎকারঃ মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ তেলিয়াপাড়া পতনের পর সিলেটের মনতলা হতে সিংগারবিল পর্যন্ত এলাকা আমাদের নিয়ন্ত্রণধীন ছিল। এ এলাকা থেকে আমরা গেরিলা ট্রেনিংপ্রাপ্ত ছেলেদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কিভাবে ক্ষতি করতে হবে সেভাবে

সাক্ষাৎকারঃ মেজর জেনারেল এ কে এম শফিউল্লাহ Read More »

সাক্ষাৎকারঃ মেজর দিদার আতাউর হোসেন

<১০, ৪.১২, ১৪৬-১৪৮> সাক্ষাৎকারঃ মেজর দিদার আতাউর হোসেন   অক্টোবরে বাংলাদশ সেনাবাহিনীর অফিসার হওয়ার পর আমাকে কে ফোর্সের অন্তর্ভুক্ত করে যুদ্ধ এলাকায় পাঠানো হল। নভেম্বরের ১/২ তারিখের রাতে তুমুল বৃষ্টির মধ্যে আমাদের ৩ তা কোম্পানী এবং ২ য় বেঙ্গলের আরো একটা কোম্পানি নিয়ে বেলুনিয়া পকেটে যেতে হয়। পরশুরাম ও ফুলগাজির মাঝামাঝি পাকিস্তানীদের দুটি ক্যাম্পের মধ্যে

সাক্ষাৎকারঃ মেজর দিদার আতাউর হোসেন Read More »

সাক্ষাৎকারঃ সুবেদার গোলাম আম্বিয়া

<১০, ৪.১১, ১৪৬-১৪৮> সাক্ষাৎকারঃ সুবেদার গোলাম আম্বিয়া   ৭ ই জুন এক এমবুশে ৩ জন পাকসেনা নিহত হয়। ১২ ই জুন সিঙ্গারবিল এলাকায় এমবুশে ১৩ জন পাকসেনা নিহত ও ২ জন আহত হয়। ১৬ ই জুন এক এমবুশে ৪ জন পাকসেনা নিহত হয়। ২০ শে জুন আর এক এমবুশে ২ জন নিহত হয়। ২৩ শে

সাক্ষাৎকারঃ সুবেদার গোলাম আম্বিয়া Read More »

সাক্ষাৎকারঃ সুবেদার আবদুল ওয়াহাব

<১০, ৪.১০, ১৪৬-১৪৮> সাক্ষাৎকারঃ সুবেদার আবদুল ওয়াহাব  (বীর বিক্রম)   আমি এপ্রিল মাসেই ভারতের সোনামুড়াতে চলিয়া যাই এবং সেখান হইতে ক্যাপ্টেন গাফফারের নেতৃত্বে দেবীপুর আসি। তখন সি কোম্পানীর কমান্ডার ছিলেন ক্যাপ্টেন গাফফার। আমি তখন সি কোম্পানীর ৭ নং প্লাটুনের প্লাটুন কমান্দার ছিলাম। এইখানে পুরো কোম্পানি লইয়া আমরা কয়েকটি অপারেশন করি। আমি আমার নিজস্ব প্লাটুন লইয়াও

সাক্ষাৎকারঃ সুবেদার আবদুল ওয়াহাব Read More »

সাক্ষাৎকারঃ সুবেদার মেজর লুৎফর রহমান

<১০, ৪.৯, ১৮৪-১৯০> সাক্ষাৎকারঃ সুবেদার মেজর লুৎফর রহমান   ৩রা জুন: বজরার কুখ্যাত দালাল পাক সামরিক বাহিনীর অন্যতম সাহায্যকারী, নিরীহ গ্রামবাসীর ধনসম্পদ লুণ্ঠনকারী দানব সেরাজুল ইসলাম (ছেরু মিয়া-বজরা) এর অত্যাচারে জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে তারই প্রভাবে এতদঞ্চলে বহু নিরীহ জনগণ রাজাকারে পরিণত হয়। তাই মেজর (বর্তমানে কর্নেল) খালেদ মোশারফ সাহেবের নির্দেশক্রমে ৩রা জুন রাতে

সাক্ষাৎকারঃ সুবেদার মেজর লুৎফর রহমান Read More »

সাক্ষাৎকারঃ মেজর জাফর ইমাম

<১০, ৪.৮, ১৭৮-১৮৪> সাক্ষাৎকারঃ মেজর জাফর ইমাম   ৬ই নভেম্বর হেডকোয়ার্টার আমাকে ডেকে পাঠালেন। তখন বেলুনিয়া পকেটটি পুরোপুরি পাকবাহিনীর দখলে ছিল।   আমাকে ডেকে বলা হলো, বেলনিয়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে শুরু করে ফেনী পর্যন্ত এই পকেটটি মুক্ত করার ভার তোমার উপর দেওয়া হলো। পরশুরাম, চিতলিয়া, ফুলগাজী, বেলুনিয়া ও ফেনী এই বিশেষ স্থানগুলো তখন ছিল পাকবাহিনীর

সাক্ষাৎকারঃ মেজর জাফর ইমাম Read More »

সাক্ষাৎকারঃ ক্যাপ্টেন হুমায়ুন কবির

<১০, ৪.৭, ১৭৫-১৭৮> সাক্ষাৎকারঃ ক্যাপ্টেন হুমায়ুন কবির   ১৭ ই মে আমাকে প্রথম অপারেশনে পাঠানো হয়। ক্যাপ্টেন গফফার সাহেবেই আর নেতৃত্ব দেন। কসবা, কুটিবাড়ি, আড়াইবাড়ি ইত্যাদি এলাকায় পাকসেনাদের ঘাঁটি ছিল। আমার লোক দিয়ে সমস্ত অবস্থান জেনে নিয়ে তাদের উপর অতর্কিত আক্রমনে পরিকল্পনা করি। তখন ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে। আমদের নির্দেশ ছিল হঠাৎ করে আক্রমণ করো

সাক্ষাৎকারঃ ক্যাপ্টেন হুমায়ুন কবির Read More »

সাক্ষাৎকারঃ মেজর শহীদুল ইসলাম

<১০, ৪.৬, ১৭৩-১৭৫> সাক্ষাৎকারঃ মেজর শহীদুল ইসলাম   এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি ভারতের একিনপুর (বিএসএফ ক্যাম্প) যাই। সেখানে অনেক এমসিএ, সাধারণ লোক, ইপিআর, পুলিশ সবাইকে দেখলাম। ফেনীর উত্তর অঞ্চল এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন চলে আসে। পাকবাহিনী এসব এলাকার লোকদের নৃসংভাবে হত্যা করেছে, ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। ওখানে ৭০৮০ জন লোক নিয়ে ছোটখাট কোম্পানী গঠন করি। আমার

সাক্ষাৎকারঃ মেজর শহীদুল ইসলাম Read More »

Scroll to Top