আর একটি রেইড

॥আর একটি রেইড॥ আর একটি ঘটনার কথা আমি উল্লেখ করছি। দিনটি ছিল  ৮ই জুলাই। ২৭শে জুন যে স্থানেটিতে আমরা  এ্যামবুশ করেছিলাম, পাক  সৈন্যরা সেখানে নতুন করে  কতকগুলো বাঙ্কার করেছিল।  নতুন করে তারা আরো অনেক সৈন্য এনে তাদের অবস্থানকে মজবুত করে তুলেছিল। আমরা প্ল্যান করলাম রেইড করে শত্রুর নবনির্মিত বাঙ্কারগুলো উড়িয়ে দেবো। ২৭ শে জুন তারিখে […]

আর একটি রেইড Read More »

একটি এ্যামবুশ ও সুবেদার চান মিয়ার বীরত্ব

<১০, ৬.৬, ২২৫-২৩৪> মেজর এস, এ, ভূঁইয়ার প্রতিবেদন* ॥একটি এ্যামবুশ ও সুবেদার চান মিয়ার বীরত্ব॥ প্রায় সাড়ে তিন মাসের মত আমি বি-কোম্পানীর সাথে মনতলায় ছিলাম। ঐ সময়ের মধ্যে আমরা অনেক ছোট বড় অপারেশন করেছি। সবগুলোর বিবরণ লেখা সম্ভব নয় বলে আমি মাত্র কয়েকটার কথা নিচে লিখলাম। ২৭শে জুন রাত্রে আমি বি-কোম্পানীকে নিয়ে বাংলাদেশের ভিতরে যাই।

একটি এ্যামবুশ ও সুবেদার চান মিয়ার বীরত্ব Read More »

সাক্ষাৎকারঃ মেজর শামসুল হুদা বাচ্চু

<১০, ৬.৫, ২২৪-২২৫> সাক্ষাৎকারঃ মেজর শামসুল হুদা বাচ্চু* ১৫ই-১৬ই অক্টোবর আমাকে আগরতলা নিয়ে আসা হয় ‘সি’ সেক্টরের হেডকোয়ার্টারে। সে সময় সেখানে দুজন অফিসারকে পাই। তার মধ্যে একজন হচ্ছেন বজলুল রশিদ। তিনি পিএমএ-তে ছিলেন। কিছুদিন আগে তিনি পাকিস্তান থেকে এসেছেন। আগরতলা আসার পর আমাকে ‘সি’ সেক্টরের কাছেই একটা কোম্পানী ছিল সেখানে পাঠানো হলো। সেখান থেকে বর্ডার

সাক্ষাৎকারঃ মেজর শামসুল হুদা বাচ্চু Read More »

সাক্ষাৎকারঃ মেজর দোস্ত মোহাম্মদ শিকদার

<১০, ৬.৪, ২২৩-২২৪> সাক্ষাৎকারঃ মেজর দোস্ত মোহাম্মদ সিকদার* আমাকে আলফা কোম্পানীতে পোস্টিং করা হলো। কোম্পানীর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাসিম, যিনি এখন ব্রিগেড কমান্ডার। এখনো তিনিই আমার ব্রিগেড কমান্ডার তাঁর সাথে আমি গেলাম। আমি তাঁর কোম্পানীতে কোম্পানী অফিসার হিসেবে কাজ করতাম। একটা বড় রকমের অপারেশনের জন্য কোম্পানীগুলো প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই আমি গিয়ে উপস্থিত হই। ব্রিগেডিয়ার

সাক্ষাৎকারঃ মেজর দোস্ত মোহাম্মদ শিকদার Read More »

সাক্ষাৎকারঃ সিপাই আফতাব হোসেন

<১০, ৬.৩, ২২২> সাক্ষাৎকারঃ সিপাই আফতাব হোসেন* ১৯৭১ সালের মে মাসেই আমরা ময়মনসিংহের বাজিতপুর থানা আক্রমণ করি। পাক দালালদের অনেক ঘরবাড়ি ও দালাল খতম করি। বাঙ্গালি পুলিশরা পাকসেনাদের সহযোগিতা করতো। মুসা নামে এক কুখ্যাত দালাল পাকসেনাদের মেয়ে সরবরাহ করত এবং কারফিউ দিয়ে হিন্দু-মুসলমান সবার বাড়িতে থানার বাঙ্গালী পুলিশদের নিয়ে লুটতরাজ চালাত। রাত ১১টায় আমরা থানাতে

সাক্ষাৎকারঃ সিপাই আফতাব হোসেন Read More »

সাক্ষাৎকারঃ লেঃ কর্নেল গোলাম হেলাল মুর্শেদ খান

<১০, ৬.২, ২১৯-২২২> সাক্ষাৎকারঃ লেঃ কর্নেল হেলাল মুর্শেদ*   ৪ঠা মে আমি আমার প্লাটুনসহ শাহবাজপর পৌছি। ৫ই মে সকালে আমি রেকি করি এবং রাত্রে রেইড করি। ৬ই মে সকালে জনসাধারণের মুখে শুনতে পাই ৯ জন পাকিস্তানী সৈন্য মারা যায়। তার ফলে পাকিস্তানী সৈন্যরা জনসাধারণের বাড়ীঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমার প্লাটুনের মাত্র ১ জন আহত হয়।

সাক্ষাৎকারঃ লেঃ কর্নেল গোলাম হেলাল মুর্শেদ খান Read More »

সাক্ষাৎকারঃ ব্রিগেডিয়ার এম এ মতিন

শিরোনাম সূত্র তারিখ ৬। ৩ নং সেক্টরের যুদ্ধ সংক্রান্ত অন্যান্যের বিবরণ বাংলা একাডেমির দলিলপত্র তারিখ ——–১৯৭১ <১০, ৬.১, ২১৭-২১৯> সাক্ষাৎকারঃ ব্রিগেডিয়ার এম, এ, মতিন* আমাদের হেডকোয়ার্টার তেলিয়াপাড়া থেকে তুলে ভারতীয় সীমান্ত সীমানাতে স্থানান্তরিত করা হয়। মে মাসের প্রথমে আমার কোম্পানী নিয়ে তেলিয়াপাড়াতে ঘাঁটি, সংখ্যায় ছিলাম ৮০/৮৫ জন। এপ্রিল মাসের শেষের দিকে ক্যাপ্টেন ভূঁইয়া চট্টগ্রাম থেকে

সাক্ষাৎকারঃ ব্রিগেডিয়ার এম এ মতিন Read More »

মনোহরদী অবরোধ

মনোহরদী অবরোধ-২১ শে অক্টোবরঃ অক্টোবর মাস পর্যন্ত আমাদের তৎপরতা বেড়ে যাওয়াতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাদের ছোটখাটো দলকে (ডিটাচমেন্ট) থানা হেডকোয়ার্টার পর্যন্ত পাঠাতে বাধ্য হয়েছিল। প্রত্যেক থানা হেডকোয়ার্টারের সৈন্যসংখ্যা এক কোম্পানির কম রাখতে সাহস পেত নাহ। এক কোম্পানী করে সৈন্য প্রত্যেক থানাতে দেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠছিল না। কারণ কোন কোন স্থানে সৈন্যসংখ্যা এক ব্যাটালিয়নেরও বেশি

মনোহরদী অবরোধ Read More »

কালেঙ্গা জঙ্গলে অ্যামবুশ

কালেঙ্গা জঙ্গলে অ্যামবুশ-২৪শে সেপ্টেম্বরঃ সিলেটের অভ্যন্তরে যে সমস্ত গেরিলা পাঠাতাম, তাদেরকে এই কালেঙ্গা জঙ্গলের মধ্যে দিয়েই পাঠাতাম। পাক সেনাবাহিনী এ খবর পেয়ে কালেঙ্গা জঙ্গলে তাদের তৎপরতা বাড়িয়ে দেয়। তারা যাতে নিরাপদে চলফেরা না করতে পারে সেজন্য কালেঙ্গা রেস্ট হাউসের পাশে কিছুসংখ্যক এন্টি-পারসোনাল মাইন পুঁতে রাখা হয় এবং এর প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করার জন্য লোক নিয়োগ করি।

কালেঙ্গা জঙ্গলে অ্যামবুশ Read More »

মুকুন্দপুর অ্যামবুশ

মুকুন্দপুর অ্যামবুশ-১৩ই সেপ্টেম্বরঃ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর রেলপথে যাতায়াত বাধা সৃষ্টি করার জন্য আমরা রেলওয়ে লাইনে ট্যাংক বিধ্বংসী মাইন পুঁতে রাখতাম। এ ব্যাপারে পাকিস্তানীরা বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করে। তারা রেলগাড়ির ইঞ্জিনের আগে দুটো কি তিনটে ওয়াগন জুড়ে দিত। এতে ঐ ওয়াগনগুলোই প্রথম বিধ্বস্ত হত এবং ট্রেনের বিশেষ কোন ক্ষয়ক্ষতি হত না। তাদের এই ব্যবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা অন্য

মুকুন্দপুর অ্যামবুশ Read More »

Scroll to Top